স্যাটায়ার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্যাটায়ার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১০

হাসতে নাকি জানেনা কেউ-১৫

১.
এক হাড়-কিপটের গল্প শোনাই। একবার হাট থেকে সেই কিপটে লোকটা একশ টাকা দিয়ে একটি পাঞ্জাবি কিনে নিয়ে আসল। সেই পাঞ্জাবি পরে সে বড় বড় দাওয়াতে যায়, আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে যায়, ব্যাবসার কাজে গঞ্জে যায়। এভাবে দুই তিন বছর পরতে পরতে পাঞ্জাবির হাতা গেল ছিঁড়ে। লোকটি অগত্যা সেই পাঞ্জাবির হাতা কেটে ওটাকে মোটামুটি ফতুয়া বানিয়ে ফেলল। ফতুয়া বছর খানিক পড়ার পরে সেটার অবস্থাও যখন শোচনীয় হলো তখন কিপটে লোকটি ওটাকে কেটে ছেঁটে স্যান্ডো গেঞ্জির মত বানিয়ে নিল। সেই স্যান্ডো আরো কয়েক মাস পড়ার পরে যখন ছিঁড়ে গেল সেটাকে কেটে একটা রুমাল বানালো। চলল আরো কয়েক মাস। রুমালটিও যখন আর ব্যবহার করার উপায় থাকলনা তখন সেটাকে পুড়িয়ে কয়লা বানিয়ে সেই কয়লা দিয়ে দাঁত মেজে কুলি করে নদীর জলে মুখ ধুয়ার পড়ে আক্ষেপ করে বলল,
'ইস্‌ আমার একশটা টাকাই জলে গেল'

সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১০

হাসতে নাকি জানেনা কেউ-১৪

মানুষ সৃষ্টির আগেই বিধাতা যে তাদের সেবা যত্নের জন্য পুরো বন্দোবস্ত করেছিলেন সেই জানা ইতিহাসটা একটু জাবর কাটা যাক।

সবার প্রথমে বিধাতা গাধা সৃষ্টি করলেন, এর পর গাধাকে বললেন,

'তোমার কাজ হচ্ছে বোঝা বহন করা, তুমি মানুষের জিনিসপত্র এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাবে, মানুষ যা বলে তা শুনবে, তোমার নিজের কোন বোঝ-বিবেচনার প্রয়োজন নেই। তোমার আয়ু হলো চল্লিশ বছর'

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০০৯

হাসতে নাকি জানেনা কেউ -০২

অনুকরন এবং অনুসরণ এই দুইয়ের মধ্যে বিস্তর ফারাক। কেন জানি আমাদের মধ্যে অনুকরণ প্রবনতাই বেশী লক্ষ্য করা যায়। তাই আমেরিকান আইডলের আদলে ভারত যখন ইন্ডিয়ান আইডল চালু করে বসে আমরাও হন্যে হয়ে পড়ি এই জাতীয় কিছু একটা করার। ফলে চ্যানেলে চ্যানেলে প্রতিযোগীতা চলতে থাকে, বড়দের, ছোটদের। বলতে দ্বিধা নেই এই জাতীয় অনুষ্ঠাণ আমাদের বাংলা গানের বিস্তৃতিতে সাময়িক ভাবে সহায়কও হয়েছে কিন্তু এর আসল উদ্দেশ্য ‘মেধাবী শিল্পী সংগ্রহের’ কাছ থেকে আমরা দূরে সরে গিয়েছি ‘মূনাফা অর্জনের দিকে’। তাই বর্তমানের লক্ষ্যবস্তু রিকশাওয়ালা, গার্মেন্টস শ্রমিক, যাদের সংখ্যা অনেক সুতরাং মুঠোফোনের মাধ্যমে প্রেরিত মেসেজের সংখ্যাও হবে অনেক বেশী।ভাবতে অবাক লাগে মুনাফা অর্জন করা হবে তাদের কাছ থেকে যাদের খেয়ে পড়ে বাঁচার জন্য মাসিক আয় অতিসামান্য। এই অনুকরণ প্রসঙ্গে একটি কৌতুক মনে পড়ে গেল, অনেক দিন আগে বিটিভিতে দেখেছিলামঃ

শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০০৯

হাসতে নাকি জানেনা কেউ -০১

২৭ মার্চ ২০০৯ এর প্রথম আলোতে পড়লাম জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে সাংবাদিকেরা জিজ্ঞেস করাতে বলেছেন, 

“এটা আলোচনা সভা, সংবাদ সম্মেলন নয়৷ আপনারা শত চেষ্টা করেল আমার মুখ থেকে একটা কথাও বের করতে পারবেননা”

আসলেইত আমি যদি সত্য না স্বীকার করি কেউ আমাকে দিয়ে আসল কথা বের করতে পারবে ? খবরটা দেখেই তিন ঢাকাইয়া কুকুরের বিয়ে খাওয়ার কৌতুকটা মনে পড়ে গেলঃ